কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার

বৃহস্পতিবার,

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

Radio Today News

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৩:১৩, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২৩:১৩, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Google News
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হলো কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ২০০৬ সালে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ‘‘কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে, ‘‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের’’ অধীনে সরকার ২০১৮ সালে কওমি মাদ্রাসার দাওরা-ই-হাদিস (তাকমিল) সনদকে ইসলাম শিক্ষা ও আরবিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমতুল্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি আইন প্রণয়ন করে। সেই সঙ্গে ছয়টি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।’

তারেক রহমান বলেন, ‘ছয়টি বোর্ড হলো- বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ (কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড), আজাদ দীনি আদারায়ে তালিম বাংলাদেশ বোর্ড, তানযীমুল মাদারিসিদ দিনিয়া বাংলাদেশ ও জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনশক্তি কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ সংশোধনের পর গত ২৩ জুন ছয়টি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদপত্রগুলো স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে কওমি মাদ্রাসা থেকে ইলমুল কিরাত বা হিফজুল কুরআন সনদসহ দাওরা-ই-হাদিস (তাকমিল) ডিগ্রিধারীরা সহকারী মৌলভী (ক্বারী) এবং এবতেদায়ি ক্বারী পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য হয়েছেন।’

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সাধারণ শিক্ষা পাঠ্যক্রমে আরও আরবি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভালো পরামর্শ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষা ইতোমধ্যেই নিয়মিত পাঠ্যক্রমের অংশ। এটিকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, তা সরকার পর্যালোচনা করবে।’

ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের বিষয়ে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বিষয়ে একটি পৃথক নোটিশ দাখিল করতে বলেছেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা যদি আমাকে আলাদাভাবে নোটিশ দেন, বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখে বিস্তারিত তথ্য সংসদে পেশ করবো।’

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের