বিশ্বকাপের মধ্যে বাবা হারালেন ভারতীয় ক্রিকেটার

শুক্রবার,

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

শুক্রবার,

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

বিশ্বকাপের মধ্যে বাবা হারালেন ভারতীয় ক্রিকেটার

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:৫৪, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
বিশ্বকাপের মধ্যে বাবা হারালেন ভারতীয় ক্রিকেটার

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের খুব কাছে আছে ভারত। তবে ঠিক এই সময় দলটির স্কোয়াডে থাকা রিংকু সিং পেলেন বড় এক দুঃসংবাদ। তার বাবা খানচাঁদ সিং আর নেই। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে গ্রেটার নয়ডার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

আজ সকালে ভারতের সাবেক অফ স্পিনার হারভাজান সিং নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘রিংকু সিংয়ের বাবা শ্রী খানচাঁদ সিংয়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে খুবই ব্যথিত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় সে তার দায়িত্ব পালনে ছিল প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রিংকু ও তার পরিবারের জন্য এটা ভীষণ কঠিন সময়। আমার চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনা তার এবং তার প্রিয়জনদের সঙ্গে রয়েছে। সৃষ্টিকর্তা তার আত্মাকে চির শান্তি দান করুন এবং শোকাহত পরিবারকে শক্তি ও সাহস দিন।’

জানা যায়, গ্রেটার নয়ডার যথার্থ হাসপাতাল এ ভর্তি ছিলেন তিনি। হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. সুনীল কুমার জানান, খানচাদ সিং লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিনে তার অবস্থা অনেক খারাপ হয়ে যায়। গত ২১ ফেব্রুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছিল। আজ ভোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।’

এদিকে বাবার অসুস্থতার কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন মাঝপথে ঘরে ফিরতে হয় রিংকুকে। পরে গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আবার দলের সঙ্গে যোগ দেন। 

এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি বিশ্বকাপের দল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তার বাড়ি আলীগড়ে। কিন্তু রিংকুর বাবা খানচাঁদের অবস্থা আগেই অনেক খারাপ ছিল। ভারতীয় বাঁহাতি ব্যাটার বাড়ি পৌঁছানোর তিন দিনের মধ্যেই বাবা হারালেন তিনি।

রিংকুর সাবেক কোচ মাসুদ আমিনি আলিগড়ে পিটিআইকে বলেন, ‘তিনি অনেক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তার লিভার ক্যানসার ছিল। শেষ তিন থেকে চার দিন তিনি ভেন্টিলেটরে ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘পরিবার চালাতে তিনি খুব কষ্ট করেছেন। তিনি গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারির কাজ দিয়ে শুরু করেছিলেন। পরিবারের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন।’

২৮ বছর বয়সী রিংকু উত্তর প্রদেশের আলিগড় জেলার বাসিন্দা। নিজের সাফল্যের বড় কৃতিত্ব তিনি বাবাকেই দেন। খানচাদ সিং আলিগড়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণের কাজ করতেন। আর্থিক কষ্টের মধ্যেও তিনি ছেলের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্নকে সমর্থন দিয়েছেন।

পরিবার জানিয়েছে, খানচাঁদ সিংয়ের শেষকৃত্য আলিগড়েই সম্পন্ন হবে। রিংকু সেখানে উপস্থিত থাকবেন।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের