এমসি কলেজ গণধর্ষণ মামলার রায় আজ

মঙ্গলবার,

১৪ জুলাই ২০২৬,

৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

মঙ্গলবার,

১৪ জুলাই ২০২৬,

৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

Radio Today News

এমসি কলেজ গণধর্ষণ মামলার রায় আজ

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:২৬, ১৪ জুলাই ২০২৬

Google News
এমসি কলেজ গণধর্ষণ মামলার রায় আজ

সিলেটের আলোচিত এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার রায় আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঘোষণা করা হবে। ঘটনার ৫ বছর ৯ মাস ১৮ দিন পর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন জানান, গত বুধবার আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য করেন।

মামলার আসামিরা হলেন—সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক), অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল ও মাহফুজুর রহমান। তারা সিলেট নগরের টিলাগড়কেন্দ্রিক ছাত্রলীগের গ্রুপ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, গত বছর মে মাসে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন নির্যাতনের শিকার তরুণী ও তার স্বামী, আসামিদের জবানবন্দি গ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের এক অধ্যাপক এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। শাহপরান মাজার থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার আটকে কয়েকজন যুবক তাদের ছাত্রাবাসের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতর তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরে দম্পতিকে মারধর করে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাদের গাড়িও আটকে রাখা হয়।

ঘটনার রাতেই নির্যাতিত তরুণীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। প্রাইভেটকার আটকে রেখে চাঁদাবাজির অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলাও হয়। পরে দুটি মামলার বিচার একসঙ্গে পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।

ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে এজাহারভুক্ত ছয়জনসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়।

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষে আজ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের