শনিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়ে খবর—সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন মারা গেছেন। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে এ ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ফটোকার্ডও ঘুরতে দেখা যায়। এতে ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে দ্রুত উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানিয়েছেন জনপ্রিয় গীতিকার ও সংগীত পরিচালক মিল্টন খন্দকার।
শনিবার রাতে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি গুজব। ফেসবুকে কে বা কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন খবর ছড়িয়েছে তা জানা যায়নি।’
তিনি আরও জানান, সন্ধ্যায় হায়দার হোসেনের কিবোর্ডবাদকের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন—শিল্পী সুস্থ আছেন এবং বাসাতেই অবস্থান করছেন।
ভুয়া খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই ফোন ও বার্তার মাধ্যমে তাঁর খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন হায়দার হোসেন।
ফেসবুকে তিনি লিখেন, ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমি বেঁচে আছি এবং ভালো আছি। আমাকে দোয়ায় রাখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’
গুজবটি ছড়িয়ে পড়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেন এই শিল্পী। তিনি বলেন, “সন্ধ্যা থেকে ফোন রাখতে পারছি না। একের পর এক ফোন আসছে। কী যে ঝামেলায় পড়েছি! আমি সুস্থ আছি, ভালো আছি।”
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ এক নামহায়দার হোসেন। কণ্ঠশিল্পী হওয়ার পাশাপাশি গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও তিনি আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে “৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি” এবং “আমি ফাইসা গেছি”—যেগুলো এখনও শ্রোতাদের কাছে সমানভাবে সমাদৃত।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

