চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ

বৃহস্পতিবার,

১৩ আগস্ট ২০২৬,

২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

১৩ আগস্ট ২০২৬,

২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:২৫, ১৩ আগস্ট ২০২৬

Google News
চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ

চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না (পিবিওসি) ২০২৬-২০৩০ সময়ের জন্য সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এতে শক্তিশালী আর্থিকখাত গড়ে তোলা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ‘উচ্চমানের আর্থিক উন্মুক্তকরণ সতর্কতার সঙ্গে এগিয়ে নিতে’ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থায়নে রেনমিনবির বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি দুইমুখী আর্থিক বাজারে প্রবেশাধিকার আরও গভীর করা হবে। শাংহাইকে আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কাজ ত্বরাণ্বিত করা হবে। বৈশ্বিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে হংকংয়ের ভূমিকা আরও জোরদার করা হবে।

আর্থিকখাতের উন্মুক্তকরণের অংশ হিসেবে পিবিওসি বহুস্তরীয় ও ব্যাপক আওতাভিত্তিক আন্তঃসীমান্ত আন্তঃব্যাংক পেমেন্টব্যবস্থা (সিআইপিএস) আরও উন্নত করবে। একই সঙ্গে অফশোর রেনমিনবি বাজারের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া হবে।

দেশীয় মুদ্রানীতির ক্ষেত্রে পরিকল্পনায় আরও বৈজ্ঞানিক ও শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। চীনের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আধুনিক মুদ্রানীতি ব্যবস্থা উন্নত করা হবে। ভিত্তিমুদ্রা জারির ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা হবে। সামগ্রিক ও কাঠামোগত— উভয় ধরনের নীতিগত উপকরণ আরও ভালোভাবে ব্যবহার করা হবে।

পরিকল্পনায় বাজারভিত্তিক সুদের হার নির্ধারণ, সঞ্চালন ও সমন্বয় ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিনিময় হার নির্ধারণে বাজারকে নির্ণায়ক ভূমিকা পালনের সুযোগ দেওয়া হবে। রেনমিনবির বিনিময় হারকে যুক্তিসঙ্গত ও ভারসাম্যপূর্ণ পর্যায়ে মোটামুটি স্থিতিশীল রাখা হবে।

আর্থিক স্থিতিশীলতা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সামষ্টিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থাপনার আওতা বাড়াবে। নীতিগত উপকরণ আরও সমৃদ্ধ করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে পদ্ধতিগত ঝুঁকি কমাতে একটি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রকৃত অর্থনীতিতে উন্নতমানের আর্থিক সেবার প্রবেশাধিকার আরও বাড়ানো। প্রধান কৌশল, গুরুত্বপূর্ণ খাত এবং দুর্বল জায়গাগুলোকে সহায়তা দিতে পিবিওসি আরও সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর নীতিব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলাও রয়েছে। পাশাপাশি সবুজ ও নিম্ন-কার্বন অর্থায়ন বাড়ানো, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন সম্প্রসারণ, পেনশন অর্থায়ন ব্যবস্থা উন্নত করা এবং ডিজিটাল অর্থায়নের গতি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

২০২৬-২০৩০ সময়ের দিকে তাকিয়ে পিবিওসি জানিয়েছে, পরিকল্পনার সব পদক্ষেপ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে। এর মাধ্যমে চীনের আর্থিকখাতের শক্তি বাড়ানো এবং উচ্চমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সমর্থন করা হবে। সূত্র: সিএমজি বাংলা
 

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের