বৃহস্পতিবার,

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

Radio Today News

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সম্পত্তি কিনেছেন পিকে হালদার

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:১৯, ১৩ মে ২০২২

Google News
পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সম্পত্তি কিনেছেন পিকে হালদার

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক পিকে হালদার ও তার সহযোগী সুকুমার মৃধার পাচারকৃত অর্থের সন্ধান পাওয়া গেছে ভারতের কলকাতাসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে। পলাতক এই পাচারকারীর অবৈধ সম্পত্তির খোঁজ পেয়ে কলকাতার মোট ৯টি স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)।

জানা গেছে, হাওড়া দিয়ে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ টাকা ভারতে নিয়ে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সম্পত্তি কিনেছেন পাচারকারী পিকে হালদার।

কলকাতা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত পিকে হালদারের সহযোগী সুকুমার মৃধা। তবে নিজেকে পিকে হালদারের সহযোগী নয়, ক্লায়েন্ট বলে পরিচয় দিতেন সুকুমার। কিন্তু আর্থিক দুর্নীতির খোঁজে তল্লাশি চালাতে গিয়ে উঠে আসে প্রকৃত রহস্য।
 
পিকে হালদার এবং সুকুমার মৃধা প্রকৃতপক্ষে অশোকনগরের দীর্ঘদিনের প্রতিবেশী। ইডি ধারণা করছে, এই দুজনের দীর্ঘদিনের যোগসাজশেই এনআরবির এই বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে।

ভারতী পল্লী এলাকার পাশেই নবজীবন পল্লীতে বিলাসবহুল বাগানবাড়ি রয়েছে প্রশান্ত কুমার হালদারের আত্মীয় প্রণব কুমার হালদারের। ঠিক তার পাশেই আরেক বিলাসবহুল বাগান বাড়ি সুকুমার মৃধার। মাছ ব্যবসায়ী পরিচয় সুকুমার মৃধা এলাকায় পরিচিত হলেও তার আর্থিক সঙ্গতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে।

পিকে হালদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও মামাতো ভাই সুকুমার মৃধার জামাই সঞ্জীব হাওলাদার শুক্রবার গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় দু’বছর আগে শেষবার সুকুমার মৃধা অশোকনগরের এই বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সুকুমার মৃধার জামাই হিসেবে সংবাদমাধ্যমের সামনে এদিন সমস্ত সম্পর্ক এড়িয়ে যান সঞ্জীব।

তিনি সাফ সাফ জানান, আর পাঁচ জনের মতই অস্পষ্টভাবে বাংলাদেশ অর্থ পাচারের ঘটনা তিনি শুনেছিলেন। তবে স্পষ্টভাবে তিনি কিছু জানেন না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সঞ্জীব হাওলাদার নিজেও বাংলাদেশী নাগরিক। তিনি যে বাড়িতে থাকছিলেন সেটি মূলত পিকে হালদারের ভাই এনআরবি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রীতিশ কুমার হালদারের। স্থানীয়দের কাছে তিনি প্রাণেশ হালদার নামে পরিচিত ছিলেন।
 
ইডি সূত্রে জানা গেছে, তিন-চার বছর আগে প্রীতিশ কুমার হালদার তার বাড়িটি সুকুমার মৃধার নামে হস্তান্তর করেন। সেই হস্তান্তরের সব কাগজপত্রই তল্লাশিতে মিলেছে।

স্থানীয় সূত্রে এও জানা গেছে, বাংলাদেশী হয়েও হালদার-মৃধা জুটির ভারতে প্রভাবের অন্যতম বড় কারণ ছিল স্থানীয় এক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ এবং মন্ত্রীর সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতা।

এ ছাড়াও ইডি এদিন স্বপন মিত্র নামে আরেকজনের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। অশোকনগরের একই এলাকার বাসিন্দা স্বপন মিত্রও পাচারকারী পিকে হালদারের টাকা পাচারে অন্যতম হোতা।

ইডি সূত্রে জানা গেছে, এদিন তার বাড়ি তল্লাশি চালানোর পরে মেলে একাধিক নথি। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে আটক করা হয়েছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের


Warning: Undefined variable $sAddThis in /home/radio4to0da9y/public_html/details.php on line 536