রোববার,

২২ মে ২০২২,

৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

রোববার,

২২ মে ২০২২,

৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

Radio Today News

দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে ভেপিং, বিশ্বে ভেপার আট কোটির বেশি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:৩৪, ২৫ এপ্রিল ২০২২

আপডেট: ১৪:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২২

দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে ভেপিং, বিশ্বে ভেপার আট কোটির বেশি

সিগারেটের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ ভেপিং ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। গেল এক বছরে বিশ্বে ভেপারের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় এককোটি ৪০ লাখ।

২০২১ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বে ভেপিং ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট কোটি ২০ লাখ। গ্লোবাল স্টেট অব টোব্যাকো হার্ম রিডাকশনের(জিএসটিএইচআর) হিসাবে, ২০২০ সালে বিশ্বে ভেপারের সংখ্যা ছিল ছয় কোটি ৮০ লাখ। পরবর্তী ১২ মাসে আরও প্রায় এক কোটি ৪০ লাখমানুষ ভেপিং ব্যবহার শুরু করেছেন।

বৈশ্বিক ভেপার বৃদ্ধির পরিসংখ্যানকে উল্লেখযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করেছে গ্লোবাল স্টেট অব টোব্যাকো হার্ম রিডাকশন। তবে ভেপার বৃদ্ধির এই হারতাদের মতে প্রত্যাশিত।

কারণ ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে নিকোটিন নির্ভর ভেপিং দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কেবল যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যানের দিকেতাকালেই ভেপিংয়ের জনপ্রিয়তা বোঝা যায়। ২০১২ সালে যুক্তরাজ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ভেপার ছিল এক দশমিক সাত শতাংশ। সাত বছরের ব্যবধানে২০১৯ সালে এই হার বেড়ে দাঁড়ায় সাত দশমিক এক শতাংশে।

যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভেপিং ধূমপান হ্রাসে বেশ ইতিবাচক প্রভাব রাখছে। ইংল্যান্ডে ধূমপান ছাড়তেচাওয়া ব্যক্তিদের জন্য সবচেয়ে কার্যকর নিরাপদ বিকল্প ভেপিং। গবেষণাতেও দেখা গেছে, অন্য বিকল্প থেকে ভেপিং সবচেয়ে বেশি কার্যকর। একই সঙ্গে পাবলিক হেলথ অব ইংল্যান্ডের গবেষণায় জানিয়েছে, প্রচলিত সিগারেটের তুলনায় ভেপিং ৯৫ শতাংশ কম ক্ষতিকর।’

জিএসটিএইচআর ২০১৮ সাল থেকে ভেপিং এবং ধূমপান ছাড়ার অন্যান্য উপায়গুলো নিয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আসছে। ২০১টি দেশেরথেকে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে তারা দেখছে, ধূপমান ছাড়তে সবচেয়ে সহায়ক বিকল্প ভেপিং।

জিএসটিএইচআর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ভেপার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে, যেখানে মানুষেরআয় তুলনামূলকভাবে বেশি। আর এসব দেশগুলোতে ভেপিং নিয়ে মূল বিতর্ক বা শঙ্কা হলো, তরুণদের ওপর এর প্রভাব, অধূমপায়ী তরুণদেরধূমপানে আগ্রহী করে তোলে কি না ভেপিং? ধূমপানের ঝুঁকি হ্রাসে ভেপিংয়ের ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়টি অনেক সময় এই বিতর্কের আড়ালেপড়ে যায়।

তবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ধূমপানের ঝুঁকি হ্রাসের বিষয়টি নিয়ে জোরেশোরে আলোচনা না হওয়ায় বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো, ভেপিং নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও ধূমপান হ্রাস নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর সমালোচনা করেছে জিএসটিএইচআর।

বিশ্বের একশ ১০ কোটি ধূমপায়ীর মধ্যে ৮০ ভাগই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের বাসিন্দা। তাদের জন্য ধূমপান হ্রাস বা ছাড়ার ক্ষেত্রে খুব সামান্যবিকল্প হাজির করা হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ গ্লোবাল স্টেট অব টোব্যাকো হার্ম রিডাকশনের। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের স্বাস্থ্য সেবাও অপ্রতুলএবং সর্বাধুনিক মানের নয়। সেখানে ধূমপায়ীরা নানার জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। তাদের জন্য ধূমপান ছাড়ার কার্যকর বিকল্প হাজিরেরতাগাদা দিয়েছে জিএসটিএইচআর।

এসঅাই

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের