চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি থেকে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় সংশোধিত এডিপি পাস করা হয়। এই অর্থবছরের শুরুতে দুই লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার এডিপি নেওয়া হয়েছিলো। সবচেয়ে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ও বড় ১০টি প্রকল্প থেকে সব মিলিয়ে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি কমানো হয়েছে।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ পরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “অনেক প্রকল্পে এক হাজার কোটি টাকা থেকে তিন - চার হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত কমানো গেছে। কমানোর পরও মন্ত্রণালয়গুলো বলেনি আমাদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে তাহলে ছিলো কেন ওগুলো?”
পাঁচই অগাস্টের পরে অনেক প্রকল্প পরিচালককে পাওয়া না যাওয়ায় কাজ শুরু হতে দেরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মি. মাহমুদ।
“চলতি প্রকল্প সব তো আমাদের কাছে আসে না। ওগুলো চলতেই থাকে। কিন্তু যেগুলো আমাদের কাছে এসেছে সেগুলো সংশোধন করতে হয়েছে। সংশোধন করে গিয়ে আবার নতুন করে সেগুলাকে চলমান করতে গিয়েও সময় বেশি লেগেছে” বলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা।
বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যেখান থেকে যত কিছু প্রজেক্ট বানিয়ে দেওয়া হোক, দাতা গোষ্ঠী হলেই হোলো সব প্রজেক্ট নিয়ে নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু এগুলা যে ঋণ নির্ভর এগুলা যে আমাদের প্রয়োজনের কতদূর যাবে এবং আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশলের সাথে মিলছে কিনা সেগুলাতো দেখা হয়নি। আমি বলছি না যে আমরা ঋণ নিতে চাই না।”
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশের অর্থনীতিতে মন্দাভাব দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, কাঙ্খিত বিনিয়োগ হচ্ছে না দেশে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

