প্রথমবারের মতো সামুদ্রিক মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন করলো চীনের নৌবাহিনীতে সম্প্রতি যুক্ত হওয়া ‘টাইপ ০৫৫’ গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘আনছিং’। এটি গণমুক্তি ফৌজের (পিএলএ) নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন।
একটি নৌবহরের অংশ হিসেবে ‘আনছিং’ এবং ‘টাইপ ০৫২ডি’ ডেস্ট্রয়ার ‘শিকাচ্য’ গভীর সমুদ্রে যৌথ অনুসন্ধান, উদ্ধার অভিযান, সামুদ্রিক রসদ সরবরাহ এবং ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণসহ ১০টিরও বেশি বিশেষ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে। মহড়াটি মূলত অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সক্ষমতা যাচাই এবং নাবিকদের যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।
মিশনের মূল আকর্ষণ ছিল সাবমেরিন বিধ্বংসী মহড়া। এতে বিমান ও নৌযানের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। ডেস্ট্রয়ার ‘সুচৌয়ের’ মাধ্যমে শত্রু সাবমেরিন শনাক্ত হওয়ার পর হেলিকপ্টার ও যুদ্ধজাহাজগুলো যৌথভাবে আক্রমণ চালিয়ে লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করে।
মহড়া চলাকালীন প্রতিটি যুদ্ধজাহাজ একটি সমন্বিত তথ্য ও কমান্ড ব্যবস্থার সাথে যুক্ত ছিল। ফলে রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদান এবং যুদ্ধের কার্যকারিতা মূল্যায়ন সহজতর হয়েছে।
নৌবাহিনীর সদস্যরা জানান, এই মহড়াটি জাহাজ ও বিমানের সমন্বিত সাবমেরিন বিধ্বংসী সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা চীনের সমুদ্র নিরাপত্তা ও রণকৌশলকে আরও শক্তিশালী করেছে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

