চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের উপদেষ্টা লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ। তিনি বলেছেন, ২০০৯ সাল থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। দীর্ঘ এই পথচলায় চীনা শিক্ষক, বৃত্তি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও একাডেমিক সহযোগিতা এ কার্যক্রমের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বৃহস্পতিবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে চায়না কালচার ডে অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চীনা ভাষা শিক্ষা শুধু ভাষা শেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পেশাগত সম্ভাবনার নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে।
তিনি জানান, চীনা ভাষা কার্যক্রমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১২ জন শিক্ষক এতে অবদান রেখেছেন। এর মধ্যে সাতজন ছিলেন চীনা নাগরিক এবং পাঁচজন বাংলাদেশি শিক্ষক। তাদের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠায় ব্র্যাকের চীনা ভাষা শিক্ষার মান আরও উন্নত হয়েছে।
লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ বলেন, এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৬ জন শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েট ক্রেডিট কোর্স এবং আরও প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি প্রায় ৭৫ জন শিক্ষার্থী চীন থেকে ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে বৃত্তি পেয়েছেন। তারা বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।
চীনে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে আরও কাজ করার প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির চীনা ভাষা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে। বিশেষ করে শূন্য থেকে চীনা ভাষা শেখার কোর্স এবং শিশুদের জন্য আলাদা চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ-চীন শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সূত্র: সিএমজি
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

