ওমানের রাজধানী মাসকাটে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আজ শুক্রবার বৈঠক করবেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। এ বৈঠকের মাধ্যমে সামরিক পদক্ষেপের মতো বিষয় এড়ানো সম্ভব কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা।
গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। মাঝে সরকারবিরোধী আন্দোলন ঘিরে সামরিক অভিযানের পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসব ঘটনার পর প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহরান।
বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলে থাকবেন ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ। ওমান দীর্ঘদিন ধরেই দেশ দুটির মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।
ওমানে যাওয়ার আগে আব্বাস আরাগচি এক্সে দেওয়া পোস্টে লিখেন, গত বছরের অম্ল-মধুর স্মৃতি ও উদার মন নিয়ে তাঁর দেশ আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তেহরান নিজেদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে অবিচল আছে।
অপরদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, মার্কিন প্রতিনিধি দল ইরানের জন্য ‘শূন্য পারমাণবিক সক্ষমতা’ নিশ্চিত করার বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, কূটনীতি ছাড়াও ট্রাম্পের হাতে আরও অনেক বিকল্প আছে।
এই সম্ভাব্য বিকল্পের ইঙ্গিত পাওয়া যায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘তারা (ইরান) আলোচনায় বসছে। তারা চায় না আমরা আঘাত করি। আমাদের একটি বিশাল নৌবহর এখনও সাগরে আছে।’ ট্রাম্প মূলত আরমান্ডা নামের নৌবহরের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। যেটি বেশ কয়েকদিন ধরে পারস্য উপসাগরে ইরানের জলসীমার কাছে অবস্থান করছে। সম্প্রতি এই নৌবহর থেকে গুলি করে একটি ইরানি ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

