বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের চীন-সম্পর্কিত মন্তব্য আবারও খণ্ডন করলেন চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র। তিনি বলেছেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আবারও পুরনো সুর গেয়েছেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের দিকে আঙুল তুলেছেন এবং সাদা-কালো মিশ্রিত করছেন। এই ধরনের মন্তব্য গোপন উদ্দেশ্য নিয়ে করা হচ্ছে।
গত ২১ জানুয়ারি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছিলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশে আমি সব বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখব, সেটা অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকার হোক। এখানে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, সেটা আমি স্পষ্টভাবে তুলে ধরব।’
পরদিনই সে বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছিল চীনা দূতাবাস। দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের এ ধরনের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এসব মন্তব্যে শুদ্ধ আর ভুল গুলিয়ে ফেলা হয়েছে এবং এর পেছনে সুস্পষ্ট অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে।
প্রায় ২০ দিন পর আবারও সে ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া জানালেন চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র। বলেছেন, ‘আমি আবারও বলতে চাই যে চীন ও বাংলাদেশ একে অপরকে সম্মান করে এবং সমর্থন করে। দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় এবং পারস্পরিক উপকারী সহযোগিতার একটি চমৎকার উদাহরণ স্থাপন করেছে দুই দেশ। চীন দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর বিশ্বস্ত অংশীদার। বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করেছে চীন। একই সঙ্গে উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনকে উৎসাহিত করেছে। এই অঞ্চলের জনগণও এটিকে সমর্থন ও স্বাগত জানিয়েছে।’
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষ বা বহিরাগত শক্তি দ্বারা প্রভাবিত হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র। এই সম্পর্কে হস্তক্ষেপ বা বাধা দেয়ার যেকোনো প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

