নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ সন্দেহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাবির১০শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) মারধর, হত্যাচেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা পারভীন আক্তার।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ মার্চ রাত আনুমানিক ৩টায় বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর শহীদ মিনারের সামনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠিসোঁটা দিয়ে আঘাত করলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পান।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নগদ অর্থ ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন- ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী সাইফুল্লাহ, একই সেশনের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের হাসিব-আল-ইসলাম, ফোরকান উদ্দীন মহি, সংস্কৃত বিভাগের সাঈদ আফ্রিদী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মো. সাকিব, রিয়াদ মাল, দর্শন বিভাগের সর্দার নাদিম শুভ, বায়েজিদ হাসান, স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের হিমেল ও ফলিত গণিত বিভাগের সজিব হোসেন। তারা জাতীয় ছাত্রশক্তির রাজনীতির সাথে যুক্ত।
এর আগে, রোববার রাতে বুয়েটের হলে সেহরি খেতে যান পাভেল। পরে তাকে সেখান থেকে ঢাবি ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে কয়েকদফা মারধর করে পুলিশে দেয়া হয়।
তাকে আটকের বিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ জানান, ‘পাভেল জিয়া হলে থাকে, গত জুলাই আন্দোলনে সে হামলাকারী ছিল। ডিপার্টমেন্ট থেকেও সে বয়কটেড। এর আগে শিক্ষার্থীরা তাকে থানায় দিয়েছিল।’
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

