রোববার,

১৪ জুলাই ২০২৪,

২৯ আষাঢ় ১৪৩১

রোববার,

১৪ জুলাই ২০২৪,

২৯ আষাঢ় ১৪৩১

Radio Today News

বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়ছে যেসব কারণে!

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:০৬, ৫ আগস্ট ২০২৩

Google News
বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়ছে যেসব কারণে!

ভালো দাম্পত্য সম্পর্ক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দাম্পত্য জীবন সুখের না হলে পুরো জীবনটাই অসহনীয় হয়ে ওঠে। এত অশান্তি আর কোথাও নেই ,যদি কাছের মানুষটির সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকে।  সবচে বড় বিষয় হচ্ছে দুজনের বোঝাপড়া। এ  জায়গাতে মিল না হলে জীবন   বিষাদময় হয়ে উঠতে বাধ্য । দাম্পত্য জীবনে ছোট ছোট কিছু ভুল ধীরে ধীরে বড় হয়,এবং এক সময় যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তখন সম্পর্কের  সঠিক রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ার মধ্য দিয়ে মানুষ মুক্তি খোঁজে। অথচ একটু সচেতন হলে এড়ানো যায় এসব সমস্যা।   

যেসব কারণে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটছে -

সঙ্গীকে অসম্মান করা

দম্পতিদের মধ্যে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হওয়া কিংবা মনোমালিন্য খুবই সাধারণ বিষয়। তাই বলে বারবার সঙ্গীকে অসংলগ্ন কথা বলা কিংবা সঙ্গীকে অসম্মান করা বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। এর ফলে অপরজনের মধ্যে ধারণা জন্মায়, সঙ্গীর কাছে বোধহয় তার কোনো সম্মান নেই!

ভুল বোঝাবুঝি

বেশিরভাগ মারামারি, তর্ক ও বিবাহবিচ্ছেদের মূল কারণ হলো ভুল বোঝাবুঝি। অনুমান ও অবিশ্বাস্যের কারণে ঘটতে পারে বিবাহবিচ্ছেদ।

বিশ্বাসঘাতকতা

বিশ্বাসঘাতকতার কারণেও অনেকেরই বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক দাম্পত্য জীবন ধ্বংস করে দেয়। মুহূর্তেই ভেঙে দেয় সাজানো-গোছানো সংসার।

নেশাগ্রস্ত 

অ্যালকোহল, ড্রাগে আসক্ত ব্যক্তিরাও সম্পর্ক ও সঙ্গীকে ধরে রাখতে পারেন না। কারণ মেজাজের পরিবর্তন, আচরণ, ঘুমের ধরন, ক্ষুধা, পারিবারিক দায়িত্ব, বন্ধু ও সংযোগ, অর্থের অপচয় ও ভুলে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যার কারণে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এমন মানুষদের মধ্যে।

উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা লোভ

অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা কিংবা লোভী নারী-পুরুষ অর্থ, ক্ষমতা, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লোভে তার চেয়ে তিনগুণ বয়সী নারী-পুরুষ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে।

একসময় মোহ চলে যায় বা অক্ষম পুরুষ-নারী কিংবা অর্থচাহিদা পূর্ণ হলে আবার নতুনের সন্ধানে বের হয়। এমন সম্পর্ক শেষ হয় বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে।

পারিবারিক নির্যাতন

পারিবারিক নির্যাতনের কারণেও একটি সংসার ভেঙে যায়। বিশেষ করে অনেক নারী তার সঙ্গীর কাছ থেকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান। শুধু নারীরাই নন, পুরুষদের ক্ষেত্রেও অনেক সময় এটি দেখা যায়।

তৃতীয়পক্ষের হস্তক্ষেপ

কারও দাম্পত্য জীবনে যদি পরিবারের সদস্যদের মতামত কিংবা অভিযোগ যুক্ত হয়, সে ক্ষেত্রে বিরোধ বাঁধতে পারে দম্পতির মধ্যে। যেমন- শ্বশুরবাড়ির কোনো সদস্যের বিরূপ মন্তব্য কিংবা কটাক্ষর শিকার হয়েও অনেকে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান।

অভাবে-সংকটে

কখনো অভাব ঘরে ঢুকলে দুজনের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অনেক কঠিন সমস্যার সমাধান করা যায়। অভাব ঘরে ঢুকলে নিজেরা এক থাকুন,কোন অভাবকে অভাব মনে হবে না । কথায় বলে, “যদি হয় সুজন, তেঁতুল পাতায় ন জন”। অর্থনৈতিক সমস্যা হলে পাশাপাশি বসে সমাধান করুন। সংকট মিটে যাবে।

ডিভোর্স ভাবনা
 অল্পতেই ডিভোর্সের কথা মাথায় আনতে নেই। মাথায় একবার আনলে ভেতরে এটা ক্রমশ বড় হতে থাকে। এক সময মাথায় বিঁধে যায় । তখন পান থেকে চুন খসলেই আপনি ডিভোর্স চাইবেন। আপনার এমন আবদার অপর মানুষটিকে সম্পর্কের প্রতি ক্লান্ত করে তুলবে। আপনি যতবার এটি চাইবেন ততবার এই ঘটনার পুরনাবৃত্তি হবে। শেষমেশ  কিছু একটা ঘটেও যেতে পারে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের