আমরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে নির্বাচিত করতে চাই : চিফ হুইপ

বৃহস্পতিবার,

১৩ আগস্ট ২০২৬,

২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

১৩ আগস্ট ২০২৬,

২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

আমরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে নির্বাচিত করতে চাই : চিফ হুইপ

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৮:৪০, ১৩ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ১৮:৪৬, ১৩ আগস্ট ২০২৬

Google News
আমরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে নির্বাচিত করতে চাই : চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ‘আমাদের দল বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলীয় জোট থেকে মনোনীত হয়েছেন আমাদের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আমরা তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আগামী ২০ তারিখে নির্বাচিত করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

চিফ হুইপ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান এবং সমর্থক ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ১১ দলীয় জোট থেকে কর্নেল অলি আহমদও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন। তার পক্ষ থেকেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

ফলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, জুলাই সনদের অক্ষর, দাঁড়ি, কমা ও বিন্দু বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সংবিধান নতুন করে লিখব না। সংবিধানের কোনো একটি কমা পরিবর্তন করলেও সেটি সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের অংশ হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দীর্ঘমেয়াদি একটি সংবিধান তৈরি করতে সব পক্ষের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে কে আসবেন—এ প্রশ্নের উত্তরে চিফ হুইপ এখনই কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে চাননি। তিনি বলেন, ‘আমাদের আর কোনো সিদ্ধান্ত এই মুহূর্তে বলার নেই। নির্বাচনের যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম মতোই আমরা দিচ্ছি। তারা (বিরোধী দল) কী বলছে, তাদের উত্তর নিয়ে তারা থাকুক। তাদের কথার সমালোচনা করতে চাই না।’
 
তিনি বলেন, “এখানে ‘সংস্কার’ ও ‘সংশোধন’ শব্দ দুটির বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। ১৯৫০ সালে ভারতের সংবিধান গ্রহণ করা হয়েছিল। এরপর ২০২৬ সাল পর্যন্ত দেশটি ১০৬ বার সংবিধান সংশোধন করেছে। তারা নতুন করে সংবিধান লিখেনি। আমরাও নতুন করে সংবিধান লিখব না। সংবিধানের একটি কমা পরিবর্তন করলেও সেটি হবে সংবিধান সংশোধন। আমরা যদি প্রতিটি শব্দ পরিবর্তন করি, সেটিও সংশোধনের আওতায় পড়বে।”

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সংশোধনের জন্য সবাইকে আহ্বান করেছি। সবাই বসে আলোচনা করে, সবার মতামত নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি কার্যকর সংবিধান সংশোধন করতে চাই। সংবিধান এক দিনের জন্য পরিবর্তন করা হয় না, এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য একটি রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই সবার মতামত নিয়েই আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই।’

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের