অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

বৃহস্পতিবার,

১৬ জুলাই ২০২৬,

১ শ্রাবণ ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

১৬ জুলাই ২০২৬,

১ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯:৪০, ১৬ জুলাই ২০২৬

Google News
অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

পাবনার আতাইকুলায় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ৪ জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান । 

তিনি জানান, গুরুতর আহত শিশু নাফিসকে (৭) পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর বিকেল ৩টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাফিস সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।

এর আগে, রাজশাহী নেবার পথে নাটোরে পৌঁছার পর বেলা ১১টার দিকে ছলিম প্রামাণিক (৬৫) নামে একজন মারা যায়। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামাণিকের ছেলে।

সকালে দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) ও অ্যাম্বুলেন্স চালক পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (২৮)।

এ ঘটনায় আহত দুইজন ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্স চালক রাজ শেখ এবং মরদেহের সঙ্গে থাকা শিশু কেয়ার নানী বুলু খাতুন নিহত হন। এ সময় আরো চারজন গুরুতর আহত হয়। 

খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং  আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেইসঙ্গে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের