গ্রিনল্যান্ড, নেটো, ইউরোপ, ইউক্রেন ইস্যুতে আজ যা যা বলেছেন ট্রাম্প

বৃহস্পতিবার,

২২ জানুয়ারি ২০২৬,

৮ মাঘ ১৪৩২

বৃহস্পতিবার,

২২ জানুয়ারি ২০২৬,

৮ মাঘ ১৪৩২

Radio Today News

গ্রিনল্যান্ড, নেটো, ইউরোপ, ইউক্রেন ইস্যুতে আজ যা যা বলেছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৩১, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ২৩:৩৮, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

Google News
গ্রিনল্যান্ড, নেটো, ইউরোপ, ইউক্রেন ইস্যুতে আজ যা যা বলেছেন ট্রাম্প

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে আজ যে ভাষণ দিয়েছেন, তাতে তিনি গ্রিনল্যান্ড, নেটো, ইউরোপ, শুল্কনীতি, ইউক্রেন যুদ্ধ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেন।

তিনি কী কী বলেছেন, এখানে তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক––

গ্রিনল্যান্ড: ট্রাম্প বলেছেন, ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে তিনি “অবিলম্বে আলোচনা” চান। তার দাবি, “এই বিশাল বরফে ঢাকা ভূখণ্ডকে রক্ষা করতে পারবে একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রই”।

শক্তি প্রয়োগ: তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, গ্রিনল্যান্ডের দখল নেওয়ার জন্য তিনি শক্তি প্রয়োগ করবেন না। তিনি বলেন, “আমার শক্তি প্রয়োগ করতে হবে না, আমি শক্তি প্রয়োগ করতে চাই না, করবোও না”।

নেটো: গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে নেটো'র ক্ষতি হবে, এ দাবি তিনি নাকচ করে দেন। তার ভাষায়, “আমরা অনেক দিই, কিন্তু বিনিময়ে খুব কম পাই”।

অর্থনীতি: ট্রাম্পের দাবি, তার শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি খুব ভালো অবস্থায় আছে। মুদ্রাস্ফীতি কমেছে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ইতিহাসে নজিরবিহীন।

শুল্ক: তিনি বলেন, বিদেশি দেশগুলো “যে ক্ষতি করেছে তার মূল্য আদায় করতে” শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

ইউরোপ: বক্তব্যের শুরুতে ইউরোপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান সরকারি ব্যয়, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ও অতিরিক্ত আমদানির কারণে মহাদেশটি “সঠিক পথে নেই”।

অভিবাসন: ইউরোপে দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী আসছে বলে মন্তব্য করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, এর ফলে ইউরোপের কিছু জায়গা এখন আর আগের মতো চেনাই যায় না।

ইউক্রেন: তিনি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দু’জনই সমঝোতা চান এবং তিনি ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে আজ দেখা করবো।

পরিবেশ: ট্রাম্প জ্বালানি সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ‘গ্রিন নিউ ডিল’-কে আবারও “ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতারণা” বলে আখ্যা দেন। তার বক্তব্য, “জ্বালানি থেকে লাভ করতে হয়, ক্ষতি নয়”।

যুক্তরাজ্যের জ্বালানি: যুক্তরাজ্যকে নিয়ে তিনি বলেন, দেশটি ১৯৯৯ সালের তুলনায় এখন অনেক কম জ্বালানি উৎপাদন করছে, যদিও উত্তর সাগরে বড় মজুত আছে। তা ব্যবহার না করায় জ্বালানির দাম বেশি ও উৎপাদন “বিপর্যস্ত” অবস্থায়।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের