ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক হামলা মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সবচেয়ে তীব্র হতে যাচ্ছে। এমনটি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। একই সঙ্গে তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কমে এসেছে। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হেগসেথ। সংবাদ সম্মেলনে হেগসেথ বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যৌথ সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডার ধ্বংস করা, প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তিকে দুর্বল করা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ভেঙে দেয়া। তিনি দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আকাশপথে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে অভিযানে এগিয়ে যাচ্ছে।
হেগসেথ আরও বলেন, ‘চলমান সংঘাতে ইরান কার্যত একা হয়ে গেছে এবং বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে গেছে। তাদের সরকার এখন চরম চাপে ও বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে।’
হেগসেথ অভিযোগ করেন, ইরান স্কুল ও হাসপাতাল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক নীতির পরিপন্থি।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে কঠোরভাবে বিরত রাখা। তিনি দাবি করেন, ইরান দ্রুতগতিতে পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছিল এবং সেটি অর্জন করলে বিশ্বকে জিম্মি করার ঝুঁকি তৈরি হতো।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

