একটি বিশেষ পোশাকধারী লোকজন জাল ভোট দেওয়ায় সহায়তা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
বুধবার বিকেলে পৌর এলাকার আমেনা প্লাজায় সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান তিনি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ভোটারের পরিচিতি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ধর্মের পোশাকের প্রতি সম্মান করি। সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলি না। কিন্তু পোলিং যেন পরিচয় নিশ্চিত হয় সেটা করতে হবে। তিনি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ারও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, প্রশাসন একটি দলের পক্ষে প্রভাবিত হলে অনেক কিছু তারা দেখবে না। জাল ভোট দেওয়া, কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা, কালো টাকার ছড়াছড়ির বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
কোনো কোনো দলের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর আস্থা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং তৎপরতা এই দেশের জনগণ মেনে নেবে না। কেউ এটা করতে চাইলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
সাকির অভিযোগ, দুই দিন ধরে ভোটারদের থামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বাঁশের লাঠি তৈরি করছে। প্রিসাইডিং অফিসারদের তালিকা পর্যালোচনা করে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, কয়েকজন কর্মকর্তা সরাসরি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। এমনকি, নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রেও তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, বিতর্কিতভাবে অনেক প্রিসাইডিং অফিসারকে বাদ দিয়ে তাদের কাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদি হাসান পলাশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

