ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলেন রুমিন ফারহানা

মঙ্গলবার,

১৪ জুলাই ২০২৬,

২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

মঙ্গলবার,

১৪ জুলাই ২০২৬,

২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

Radio Today News

ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলেন রুমিন ফারহানা

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০০:৫১, ১৪ জুলাই ২০২৬

আপডেট: ০১:০৭, ১৪ জুলাই ২০২৬

Google News
ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার কিছু অংশে তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

বিকাল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রুমিন ফারহানা লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক উপজেলার ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকার সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এবং এই লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নানামুখী সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন হতে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের লক্ষ্যে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম এবং খতিবগণের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার ও সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে উগ্রবাদ ও গুজবের কুফল সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হয়। এছাড়া উক্ত এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সুদৃঢ় রাখতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে আন্তধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আগামীতে সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতায় যুব সমাজের জন্য এ ধরনের সচেতনতামূলক নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি কার্যক্রম আরও বেগবান করার পরিকল্পনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।’

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের