সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, আশঙ্কাজনক ৩ সদস্য

সোমবার,

১৯ জানুয়ারি ২০২৬,

৬ মাঘ ১৪৩২

সোমবার,

১৯ জানুয়ারি ২০২৬,

৬ মাঘ ১৪৩২

Radio Today News

সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, আশঙ্কাজনক ৩ সদস্য

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:২৬, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ২১:২৮, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

Google News
সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, আশঙ্কাজনক ৩ সদস্য

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহত র‌্যাব সদস্যের নাম মোতালেব। তিনি র‍্যাব–৭ এর উপসহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

তবে ঘটনার বিষয়ে আজ রাত সাড়ে আটটার দিকে র‌্যাব-৭ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এআরএম মোজাফফর হোসেন গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন র‌্যাব সদস্যরা। এতে চারজন গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে একজন র‌্যাব সদস্য নিহত হন চিকিৎসাধীন অবস্থায়। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

পুলিশ ও র‌্যাব সূত্র জানায়, র‌্যাব জঙ্গল সলিমপুরে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে র‌্যাবের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সেখানে থাকা সন্ত্রাসীরা। তারা এক পর্যায়ে র‌্যাবের কয়েকজন সদস্যকে ছিনিয়ে নেয়। প্রকাশ্যে চালানো হয় গুলি।

জানা গেছে, জঙ্গল সলিমপুরে বসবাসকারীদের জন্য রয়েছে বিশেষ পরিচয়পত্র ব্যবস্থা। বহিরাগতদের প্রবেশ তো দূরের কথা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সেখানে সহজে প্রবেশ করতে পারেন না। একাধিকবার অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীকে সংঘবদ্ধ ও সশস্ত্র হামলার মুখে পড়তে হয়েছে।

এই অপরাধ সাম্রাজ্যের নেপথ্যে রয়েছে দুটি শক্তিশালী সংগঠন। এর একটি হলো ‘আলীনগর বহুমুখী সমিতি’, যার নেতৃত্বে রয়েছেন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ইয়াসিন মিয়া। অপরটি ‘মহানগর ছিন্নমূল বস্তিবাসী সংগ্রাম পরিষদ’, যা নিয়ন্ত্রণ করছেন কাজী মশিউর ও গাজী সাদেক।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, বর্তমানে এই দুই সংগঠনের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। দখল করা পাহাড়ি জমিতে বসতি স্থাপন, প্লট বাণিজ্য এবং অবৈধ স্থাপনা রক্ষায় সংগঠিতভাবে তারা দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দুই পক্ষের প্রভাব এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রতিরোধ ও সহিংসতার কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের