চব্বিশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকায় ২৫ মার্চের কালরাতের মতো হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। যা হটস্পট ছিল। তখন বাসা-বাড়িতে প্রবেশ করে গুলি করে লোকজনকে হত্যা করা হয়েছিল। যা ইতিহাসে নজিরবিহীন। এর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
রামপুরায় আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ২৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এ সময় ট্র্যাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম মুন। মামলায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান পলাতক রয়েছেন।
এদিন চিফ প্রসিকিউটরের সূচনা বক্তব্যের পর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্য প্রদান করেন বিশ্বজিৎ রাজবংশী। তার বাবা গঙ্গাচরণ রাজবংশী রামপুরায় আন্দোলনের সময় বিজিবির গুলিতে নিহত হয়েছেন।
এদিন সাক্ষ্য গ্রহণের পর জেরা করার জন্য আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

