পেট্রোকেমিক্যালের নিঃসরণ কমাতেও ভূমিকা রাখবে চীনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

বুধবার,

২১ জানুয়ারি ২০২৬,

৮ মাঘ ১৪৩২

বুধবার,

২১ জানুয়ারি ২০২৬,

৮ মাঘ ১৪৩২

Radio Today News

পেট্রোকেমিক্যালের নিঃসরণ কমাতেও ভূমিকা রাখবে চীনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৭:৪৯, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ০৭:৫৩, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

Google News
পেট্রোকেমিক্যালের নিঃসরণ কমাতেও ভূমিকা রাখবে চীনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে চীনের চিয়াংসু প্রদেশের সুওয়েইতে একটি নতুন পারমাণবিক হিটিং ও বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার ‘নিউক্লিয়ার আইল্যান্ডে’ প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে প্রথম ইউনিটের নির্মাণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

চায়না ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার করপোরেশন (সিএনএনসি) পরিচালিত প্রকল্পটি বিশ্বে প্রথম, যেখানে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে স্বল্প-কার্বন শিল্প-স্টিম সরবরাহ করা হবে। এতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং উচ্চ-কার্বন শিল্পের সবুজ রূপান্তরে নতুন সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পে প্রথমবারের মতো প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টরের সঙ্গে উচ্চ-তাপমাত্রার গ্যাস-কুলড রিঅ্যাক্টর যুক্ত করা হয়েছে। এতে চীনের তৃতীয় প্রজন্মের পারমাণবিক প্রযুক্তি ‘হুয়ালং ওয়ান’ এবং চতুর্থ প্রজন্মের উন্নত উচ্চ-তাপমাত্রার গ্যাস-কুলড রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটেছে।

ব্যবস্থাটিতে হুয়ালং ওয়ান রিঅ্যাক্টরের প্রধান স্টিম দিয়ে লবণমুক্ত পানি উত্তপ্ত করে বিপুল পরিমাণ স্যাচুরেটেড বাষ্প তৈরি হবে। পরে উচ্চ-তাপমাত্রার গ্যাস-কুলড রিঅ্যাক্টরের স্টিম দিয়ে তা উত্তপ্ত করে উচ্চমানের শিল্প-বাষ্প উৎপাদন করা হবে।

প্রক্রিয়াজাত এই শিল্প-স্টিমের বড় অংশ পাঠানো হবে লিয়ানইউনকাংয়ের নিকটবর্তী পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পাঞ্চলে। পাশাপাশি প্রকল্পটি থেকে বিদ্যুৎও উৎপাদিত হবে।

লিয়ানইউনকাং শিল্পাঞ্চল চীনের অন্যতম বড় পেট্রোকেমিক্যাল কেন্দ্র। স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এখানে কাঁচামালের পাশাপাশি বিপুল শিল্প-স্টিমের প্রয়োজন হয়। 

বর্তমানে এ শিল্পাঞ্চলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৩ হাজার টন বাষ্পের চাহিদা রয়েছে, যা এতদিন জীবাশ্ম জ্বালানি মেটানো হতো। 

নতুন পারমাণবিক প্রকল্প এই নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে। সিএনএনসি জানিয়েছে, প্রকল্পের প্রথম ধাপে দুটি হুয়ালং ওয়ান ইউনিট এবং একটি উচ্চ-তাপমাত্রার গ্যাস-কুলড রিঅ্যাক্টর ইউনিট নির্মাণ করা হবে। চালু হলে এটি বছরে ৭২ লাখ ৬০ হাজার টন স্ট্যান্ডার্ড কয়লা সাশ্রয় এবং ১ কোটি ৯৬ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের